Updatenewsall24
Sunday, October 14, 2018
Friday, October 5, 2018
50 Legitimate Ways to Make Money from Home
Part ......1
1.. Start a blog or online business
>>Online business is how I’ve made a living since 2003 and what has helped me retire early. I make over $40,000 a month through my blog. You can create your own blog here with my easy 15-minute step-by-step tutorial. You can start a blog for as little as $2.95 a month (less than a cup of coffee!). Create a blog and leverage it into affiliate sales or product endorsement deals. Consider topics like:
- Travel
- Cooking
- Health
- Technology
- Personal finance
- Just about anything else
- read more...
2.. Take part in surveys to make an extra $250+ a month
>>Simply answer online surveys or product tests and make money from home. You can easily make an extra $250 a month while watching T.V.
Take a look at some paid survey websites listed below. At all of these websites you not only earn some extra cash, but also get rewarded through gift vouchers, prize drawings, free products, etc. All of these sites are free to sign up and use. Heads up: If any survey site asks you to pay, they are probably scams.
3.. Get a free $10 Amazon gift card
>>Sign up for MyPoints and get a free $10 Amazon gift card. It’s easy to get started:
- Join MyPoints here for free.
- Shop over 1,900 top online retailers (including Amazon, Walmart, and Target) through MyPoints and earn points for your purchases.
- Redeem your points for gift cards, travel miles and more from over 75 top retail, restaurant and travel partners.
4.. Watch movie previews, YouTube, and like videos
>>Do you like watching videos in your free time? Now, you can get paid for watching videos including movie previews, news, celebrity videos, and all kinds of other videos.
Sites like Swagbucks ask you to watch certain videos and like them. You have to watch for a certain number of minutes which you’ll be told ahead of time. You could earn over $200 a month (earnings vary). You’ll earn Swagbucks for watching (points that can be redeemed for gift cards or Paypal). You can get $5 just for signing up!
5.. Get Money Back Instantly For Stuff You’ve Already Bought
>>Do you love getting refunds? How cool would it be to get money back on stuff you’ve already bought without having to do a thing? Paribus is a service that lets you find out if stores you’ve shopped at online owe you a refund. It’s free to sign up. Paribus connects to your email account and checks your receipts. If they find out a retailer has dropped their price they file a price adjustment claim for you. Try out Paribus.
Paribus works with a huge number of merchants that you probably already shop at, including Walmart, Costco, Best Buy, Target, Apple, Kohl’s, and more!
6.. Sign up for free gift cards
>>Ebates will give you a $10 gift card when you sign up and earn your first cashback rebate. It’s great for online shoppers. Ebates is free to use.
You just visit the Ebates website and click through to the store you want to shop at. If you buy from the store Ebates gets a commission that they split with you. It’s an easy way to save. Click here to sign up for Ebates.
Desperately wishing you were debt-free, had more money, and financial freedom? Put the Scott Alan Turner podcast in your podcast app and join Scott as he gives you motivation, entertainment, and money tips you won’t hear anywhere else. It’s the new voice of personal finance to get you right for that commute or gym trip.
7.. Download and install these apps
>>A lot of companies – including Google – pay you for installing their apps. Moreover, you get paid for each month the apps are installed on your phone. Some of these sites include:
- ShopTracker – Answer a few questions then launch the app on your device, and you’ll earn $3.00 instantly. Keep the app on your phone to earn money each month and help companies understand what people are buying online.
- Nielsen Mobile Panel – From the people that run Nielsen TV ratings, the Nielsen mobile app rewards you for using your mobile device. You can earn up to $50 a year.
- MobileXpression – Install this app and you’ll be eligible to win prizes each week. You get to play an instant rewards game by participating in market research.
8.. Test websites for $30 an hour
>>Ever visit a website and you thought about how bad or how great it was? Now you can get paid to share your thoughts.
Just open a website, click around, and get paid. New or updated website owners compensate you to test their sites.
For example with User Testing you can earn almost $30 for an hour. Here’s how it works:
- You get paid $10 via PayPal for every 20-minute video you complete.
- UserTesting pays you to visit websites or apps, complete a set of tasks, and record your thoughts.
While you’re visiting a website your screen will be recorded as well as your voice. Their clients include Apple, Microsoft, Adobe, and other Fortune 500 companies. How would you like a few bucks to share your thoughts?
9.. Get paid for being healthy
>>The health app AchieveMint gives you points for being healthy and doing things like walking, tracking your food, or taking health surveys. You earn points which can be redeemed for cash or Amazon Gift Cards. For every 10,000 points, you earn $10and there is no limit on your earnings.
AchieveMint connects to the fitness apps you may already be using including Fitbit, RunKeeper, Healthkit, and MyFitnessPal.
10.. Become a freelancer or freelance writer
>>Doing freelance work can greatly increase your income. Are you a stay at home mom with an English degree or a guy who naturally can find mistakes in written text?
Huge and trustworthy sites like Upwork have thousands of employers who want to hire for all kinds of tasks where you can write or edit about anything from technology to business articles. Get paid for every single article. Get a great reputation and you can turn this into a full-time job.
wait for next part 2
Thursday, October 4, 2018
আগের মতো চাইলেও তাকে আর পাওয়া যাবেনা // Salman Khan Say this
ওপাশের মানুষটি বিরক্ত তা জানার পরেও কিছু কিছু মানুষ
কোনকিছু না জানার ভান করেই ভালোবেসে যায়.
আশায় থাকে একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে.
ওপাশের মানুষটি কনভার্সনের রিপ্লাই করবেনা
জেনেও কিছু মানুষ মনের আকুতি গুলো পাঠাতে
থাকে.
আশায় থাকে একদিন ঠিকই মেসেজ গুলো সীন
করেই আনসার করবে.
ওপাশের মানুষটি ফোন রিসিভ করবেনা জেনেও
কিছু কিছু মানুষ অবিরত ফোন করেই যায়.
কল লিষ্টের পুরোটা অংশ জুড়েই আছে ফোন
রিসিভ না করা মানুষটির নাম্বার.
আশায় থাকে একদিন ঠিকই ফোন রিসিভ করে
পুরনো সেই কন্ঠস্বরটা ভেসে আসবে.
ওপাশের মানুষটি কখনো ফিরবেনা জেনেও কিছু
মানুষ অপেক্ষার প্রহর গুনে.
একদিন ঠিকই পুনারায় ফিরে এসে তার জীবনে
রংহীন পথগুলোকে রাঙ্গিয়ে দিবে এই আশায়
প্রহর গুনে যায়.
শত অবহেলা মিথ্যা অভিযোগ অহেতুক সন্দেহের
স্বীকার হওয়ার পরেও কিছু মানুষ শুধুমাত্র ওপাশের
মানুষটির আশায় পথ চেয়ে বসে রই.
একদিন সব ভুল অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হবে একদিন
সব সন্দেহ দূর হবে সেই একদিন আসবেনা
জেনেও কিছু মানুষ আশায় বসে রই.
ভিতরে বুকফাটা আর্তনাদ হলেও বাহিরে যেন খুশির
কমতি নেই.
চোখের জলে বালিশ ভিজলেও চেহারায় হাসির
চাপের যেন কমতি নেই.
বুঝতে দেয় না-বুঝানোর শক্তি নেই মানুষগুলো
হাসিমুখে দেখিয়ে দিতে পারে কতটা বিষন্নতার
মাঝেও ভালো থাকার সুনিপুণ অভিনয় করতে পারা যায়.
একদিন সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে.
একদিন সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে যাবে এই আশায় কতশত
দিন অতলে চাপাকান্নায় হারিয়ে যায় তা সেই জানে
যে একসময় ভালোবেসেছিলো.
আগের মতো কখনোই হবেনা.
আগের মতো চাইলেও তাকে আর পাওয়া যাবেনা.
আগের মতো চাইলেও আর হাসা যাবেনা.
আগের মতো চাইলেও দুটি আত্নার খুনসুটিতে
হেসে উঠবেনা দুটি প্রাণ.
আগের সময়টাতে চাইলেও আর দ্বিতীয়বার
জীবনটাকে ফিরানো যাবেনা.
তবুও মানুষটি আশায় থাকে একদিন ঠিকই আগের
মতো হয়ে যাবো আমরা.
ভালোবাসা না পেয়েও কিছু মানুষ একতরফা
ভালোবাসতে জানে.
তাকে কখনো আপন করে পাবেনা জেনেও কিছু
মানুষ ভালোবাসতে জানে.
তারা শুধুই ভালোবাসতে জানে তাদের জীবনে
ভালেবাসা না পেলেও চলে.
তবুও তারা বুঝতে দেয়না কতটা শূন্যতায় ঘেরা
হাহাকারে পূর্ণতা তাদের জীবন.
একদিন হ্যাঁ একদিন ঐ "একদিন" নামক দিনটার সূর্য্যের
আলোয় আলোকিত হবে শুধুমাত্র তার বেখেয়ালি
মনটা এই আশায় ঘুমাতো যায় কিছু কিছু প্রেম উন্মাদ
যাযাবর.
তাকে কখনো ছোঁয়া যাবেনা.
তার সামনে গিয়ে কখনো বহুদিনের জমানো
আবেগগুলো ঢেলে দেওয়া যাবেনা.
ভালোবাসি ভালোবাসি কথাটা কখনো বলা হবেনা
জেনেও কিছু মানুষ রাত জাগে.
তাদের রাত জাগায় কারো কিছু আসে যায়না
জেনেও কিছু মানুষ রাত জাগে.
তবুও রাত জাগে জ্যোৎস্নার আলো মাখা এক
পূর্ণিমা রাত আসবে বলে.
একদিন তুমি সব বুঝতে পারবে.
একদিন তুমি আমার শূন্যতা অনুভব করবে.
একদিন তুমি আমার প্রতিটা শ্বাসপ্রশ্বাসে নিজেকে
দেখতে পাবে.
একদিন তুমিও ছন্নছাড়া হয়ে শুধুই আমায় খুঁজবে.
শুধু খুঁজবেনা পাগলের মতো করে খুঁজবে.
শুধুমাত্র এই আশায় কিছু মানুষের এখনো বেঁচে
থাকা.
জানে সেটা কখনো হবেনা তবুও বেঁচে থাকে
এই আশায়.
কারন তারা ভালো করেই কোন একসময়
পড়েছিলো "মানুষ আশায় বাঁচে".
আশা গুলো যখন নিরাশা হয়ে জীবনে কাল হয়ে
দাড়ায় তখন মানুষটি আস্তে আস্তে নিজের উপর
আস্থা হারিয়ে ফেলে.
বেঁচে থাকার রাস্তাগুলো খুব দ্রুতগতিতে ভুলে
যায়.
স্বপ্ন গুলো তার প্রতিটা শ্বাসপ্রশ্বাসে ব্যাঘাত ঘটায়.
বেঁচে থাকার আর কোন উপায় যখন থাকেনা তখন
মানুষটি একটা কবর খুঁড়ে রাখে.
হয় সুসাইড করে নিজেকে সেখানে দাফন করে
দেয়.
না হয় নিজের সব আবেগ,,স্বপ্ন,,ভালো থাকা
ভালোবাসা গুলো দাফন করিয়ে দেয়.
শুরু হয় পরকালে নতুন জীবনের লড়ায় নতুবা
ইহকালে নতুন করে অনুভূতিহীন জিন্দা লাশ হয়েবেঁচে থাকার লড়ায়!!
Wednesday, October 3, 2018
আমার প্রথম স্ত্রী যখন আমায় রেখে অন্য একটা ছেলের সাথে নতুন করে প্রেমে জড়ালো
আমি তখন তাকে দুইটা প্রশ্ন করেছিলাম,"তুমি কি এখন "সুখী?সে বলেছিলো হ্যা আমি সুখী!
আরেকটা প্রশ্ন করেছিলাম,আমার উপর তোমার কোনো অভিযোগ আছে?
"সে বলেছিলো না নেই।"
"আমি মুখে হাসি টেনে এনে বললাম,অভিযোগ ত নিশ্চয় আছে নইলে তুমি আমায় ছেড়ে দিতে না।
"তুমি দেখতে অতোটা স্মার্ট নও যতটা আমার বর্তমান স্বামী।"
সাত বছর পর আমি আর আমার স্ত্রী গেলাম একটা বিয়ের অনুষ্ঠানে।সেখানে আমার প্রাক্তনে দেখে অবাক হই নি।কারণ আমি জানতাম সে সেখানে থাকবে,বিষেশত অবাক হয়েছি তার পাশে অপরিচিত একটা পুরুষ কে দেখে।
-"একা পেয়ে তাকে প্রশ্ন করলাম,স্মার্ট ছেলেটা চলে গেছে বুঝি?
-"হ্যা ওর সাথে আমার ডিবোর্স হয়ে গেছে।"
-"কিন্তু তোমার এই স্বামী ত দেখি আমার থেকে আনস্মার্ট,সংসার করছো কীভাবে?
-"মোটেও না,তুমি আগের মতই ক্ষ্যাত টাইপের রয়ে গেছো।"
আমি ঐইদিনের মত আজও দুইটা প্রশ্ন করবো,একটা আমার স্ত্রীকে আরেক টা তোমাকে!
আমি আমার স্ত্রী তৃনয়াকে ইশারা কাছে ডেকে প্রশ্ন করলাম,"তৃনয়া তুমি কি আমার সাথে সুখী?
"তৃনয়া আমার কাধে মাথা রেখে বললো,আমি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম সুখী।"
"এবার কি প্রশ্নটা তোমায় করবো?না থাক করব না,শুধু আমার ফোনের ওয়ালপেপার টা তোমায় দেখানোর জন্যই আমি এই বিয়েতে এসছি।আমাকে আর আমার স্ত্রীকে ত দেখলেই আর মাঝখানে যে বাবুটা হাসছে সে আমাদের প্রথম সন্তান,স্কুলের প্রথম দিন আজ তার।স্কুলে রেখেই সরাসরি বিয়েতে চলে আসলাম।আবার বাসায় ফিরার সময় তাকে নিয়ে ফিরবো।
আমি চাইলেই নিজকে বদলে ফেলতে পারতাম,স্মার্ট হওয়ার জন্য অবশ্যই যুগযুগ ধরে সাধনা করতে হয় না।কিন্তু জানো কি,স্মার্ট আর সুদর্শনতা আমায় সুখ শান্তি কিংবা ভালবাসা এনে দিতে পারবে না।তোমার চলে যাওয়াটাই ছিলো কি জানো,আমার ভাল থাকার অজুহাত।তোমার চলে যাওয়ার জন্যই হয়তো আমি তৃনয়াকে পেয়েছি।সুখীও হতে পেরেছি।কিন্তু তুমি তা পারো নি।
.
রিকশা চলছে,তৃনয়া আমার হাতে হাত রেখে বললো,"আমি শুধু জানতাম তোমার স্ত্রী ছিলো।জানতাম না এমন একটা বিষাদময় গল্প ছিলো।"
আমি কেবল হাসলাম।নিজেকে বড্ড হালকা মনে হচ্ছে।সামনের মোড়টাতেই স্কুল।
Click here for more
সময় নিয়ে পুরোটা পড়বেন...
সময় নিয়ে পুরোটা পড়বেন...
মেয়েদের বিয়ের পরের জীবন নিয়ে কিছু কথা, দয়া করে খারাপ মন মানসিকতা নিয়ে পড়বেন না...
মেয়েটি প্রেগন্যান্ট হয়ে দিনে ২০-৩০ বার বমি আর নানান শারীরিক সমস্যায় ভুগছে।
খেতে বসলে পেটে বাচ্চা লাথি মারে, খেতে পারেনা। রাতে ঘুমাতে গেলে যন্ত্রনায় ছটফট করে,ঘুম আসেনা। সারা দিন শরীরটা কেমন যেন করে।বসতে গেলে,শুইতে গেলে,হাটতে গেলে মাথাটা কেমন যেন ঝিমঝিম করে।
আবার মনের ভিতর ভয়ও করে। কি হবে? পারবো তো সব সামলিয়ে উঠতে ?
এভাবে নয় মাস কেটে যায়। হঠাৎ প্রসব বেদনা উঠে। চারদিকে বিষাদের ছায়া,বাঁচবে তো মেয়েটি, আর অনাগত শিশুটি ?
মৃত্যুকে হাতে নিয়ে মেয়েটি শুয়ে পড়ে। জরায়ু ছিড়ে স্রোতের মত রক্ত ঝরে। চিৎকার করে উঠে মেয়েটি, যেন পৃথীবিটা তার অবস্থানে নেই। সে সুর্যের আলো যেন আজ ক্ষীণ দেখাচ্ছে।
প্রচন্ত আলোতেও সব কিছু কেমন যেন আবছা লাগছে। চারদিকে তাকায়। আপন মানুষগুলোকে খামছে ধরে। যেন মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার আকুতি জানাচ্ছে।
বাচ্চাটি পৃথীবির মুখ দেখে। সবাই বাচ্চাকে নিয়ে কত আনন্দ উল্লাস করে। নতুন নতুন জামা কিনে নিয়ে আসে। বাচ্চাকে নিয়ে হাজারো স্বপ্নের বীজ বপন হয়।Click here for more...
কে কি নামে ডাকবে তা ঠিক করতে হুলস্থুল অবস্থা শুরু হয়ে যায়। আত্মীয়় কুটুমরা বাচ্চার এ গালে, ও গালে চুমু খায়।
মেয়েটি বাচ্চার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসে। কে জানে সেই হাসির মাঝেও কত বেদনা লুকিয়ে আছে।
নবাগত অতিথিকে পেয়ে সবাই মেয়েটির কথা বেমালুম ভুলে যায়।
মেয়েটি সেই ময়লা বেডে শুয়ে থাকে। মুখ ফুটে তার শরীরের অবস্থার কথা বলতে পারেনা। কিছুটা ভয়ে, কিছুটা লজ্জায়।
সংসারের সব কিছুর জন্য সবার হাতে টাকা থাকে, শুধু মেয়েটির চিকিৎসার জন্য কারো পকেটে টাকা থাকেনা।
ঝরে যাওয়া রক্তের পরিপূর্ণতার জন্য প্যাকেটে প্যাকেটে দুধ আসেনা। বাচ্চা গর্ভে থাকাকালীনও মেয়েটি কারো কদর পায়নি। না মায়া–দরদ, না একটু পুষ্টিকর খাবার। তবু সবার আক্ষেপ বাচ্চাটা আরেকটু মোটা হলে ভাল হতো।
কেউ বাচ্চার মায়ের কথা ভাবলো না। কি দিয়েছে বাচ্চার মাকে ??
দুধ,কলা,মাখন,কি পেয়েছে মেয়েটি ?
তিন বেলার ভাত মাছ আর সবজি ছাড়া কতটুকু পেয়েছে ?
শাড়ি খানা মলিন, মুখখানা আরো মলিন। হাতে ফোসকা ধরে গেছে। আগের মত আর মোলায়েম হাতখানা নেই বলে স্বামীর কাছেও সে অনাদৃত।
সেই লাবণ্য নেই বলে, শ্বাশুড়ী মাঝে মাঝে লোকদের কাছে বুড়ি বউ বলে সম্বোধন করে। দূর থেকে মেয়েটি শুনে। কিচ্ছু বলেনা। কাকে বলবে ??
স্বামীকে !! সে এসব কথাতে এখন কান দেয়না। এসব নাকি ন্যাকামী। দু দিন হতেই শাশুড়ী আর ননদের আক্ষেপ,বউটা এখনো রান্না ঘরে আসছেনা কেন?
মেয়েটি হাটতে পারেনা।হাটতে গেলে মনে হয় এই বুঝি পরান পাখি উড়ে গেল। লজ্জাস্থান থেকে এখনো রক্ত ঝরছে। কাতরাতে কাতরাতে মেয়েটি রান্না ঘরে আসে।
ননদ আর শাশুড়ী হুংকার দিয়ে বলে, বাচ্চা কি আমরা জম্ম দেয়নি? শুধু তুমিই মা হয়েছে ?
অসহায় চাতক পাখিটির মত মেয়েটি ভাবে পাখির ও তো একটা জায়গা আছে। এখানে ভাল না লাগলে অন্যত্র উড়ে যায়। কিন্তু, আমার!! বাবা মাকে ছেড়ে আসলাম। ভাইটিও নেই, যাকে একটু মনের কথা বলবো। স্বামী এখন এসব বুঝে না। ও নাকি কারো সাথে তর্ক করতে পারবেনা। সকালে যায় আর রাতে ফিরে।
মেয়েটি রান্না শেষ করে খাটে গিয়ে বুকে বালিশ দিয়ে টপটপ করে চোখের পানি ফেলে। ইচ্ছে করে স্বামীর কোলে শুয়ে একটু ঘুমাবে।
কিন্তু, সে তো এখন স্বামী না, বাচ্চার বাবা। তার অনেক দায়িত্ব। বাবা মাকে খুশি করতে হয়, অফিসকে খুশি করতে হয়,বন্ধু বান্ধবকে খুশি করতে হয়।
আর আমি? আমি তো স্ত্রী। আমাকে খুশি না করলেও চলবে। আমি তো আপন কেউ না।
সমাজের মানুষ বলে “পরের মেয়ে”।
ইচ্ছে করে চিৎকার দিয়ে কান্না করতে। পরক্ষণেই মেয়েটি ভাবে ওরা কি ভাববে? শরীরটা ভাল নেই। খেতে ইচ্ছে করেনা।
বুকে দুধ আসেনা। বাচ্চাটার শুকনো মুখের দিকে তাকিয়ে পাড়া প্রতিবেশি আলগা দরদ নিয়ে বলে “মাইয়াডার কারনে বাচ্চাটাও শুকিয়ে যাচ্ছে”।
হায়রে মানুষ, হায়রে সমাজ। শাশুড়ী, ননদ, অমুকের বউ বা তমুকের মেয়ে, সবাই তো নারী। অথচ, কেউ এই মেয়েটির কষ্টের কথা বুঝলো না। কেউ চিন্তাও করলো না , “মা বাঁচলেই তো বাচ্চা বাঁচে”।
মেয়েটি অভিমান নিয়ে শুয়ে থাকে। রাতে খায় না। স্বামী বাসায় এসে চেঁচিয়ে বলে “তোমার কারনে যদি আমার বাচ্চার কিছু হয়, তাহলে খবর আছে” |
এবার মেয়েটি দাঁত-মুখ খিছিয়ে বলে “হুম,কি খবর করবে ?
খবর নিয়েছো একবারও আমার ??
খবর নিয়েছো একবারও আমার ??
এটা শুনেই পাশের লোকরা বলে “কত্ত বড় বেয়াদপ মেয়ে”।
সব লাঞ্চনা-বঞ্চনার পরও মেয়েটি তার স্বামীকে ছাড়া কিছুই ভাবতে পারেনা। দিনের পর দিন অপেক্ষা করে, কবে তার স্বামীটি তাকে বুঝবে। কবে তাকে বুকে টেনে নিবে। দিন যায়, দিন আসে। হতভাগা মেয়েটির আর সুদিন ফেরেনা।
এভাবেই অনাদরে, অবহেলায় একটা মেয়ে তার জীবনকে তিলে তিলে শেষ করে দেয়।
আমরা মাঝে মাঝে তাদেরকে মায়ের জাতি,বোনের জাতি,বউয়ের জাতি বলে সান্ত্বনা দিই। কিন্তু সান্ত্বনায় আর কাজ হয়না। চল্লিশ বছরের মেয়েটিকে দেখতে এখন পয়ষট্রি বছরের বুড়ি লাগে। তাতেও সমাজের আক্ষেপ,কেন এত বুড়ি লাগে !
ভাবুন তো, আপনাকে যদি এভাবে অবহেলা করা হতো, তবে কেমন লাগতো?
ভালবাসার মানুষগুলোকে ভালবেসে কাছে রাখা যায় না কি?
নারীদের প্রতি সহমর্মিতা আর ভালবাসার মোড়কোম্মচন হোক আপনাকে দিয়ে,আমাকে দিয়ে। তবেই সমাজ বাঁচবে। বাঁচবে মানবতা।
🔵 *_মৃত্যুর পর মায়ের চিঠি...!_* 🔵
সময় নিয়ে পুরোটা পড়বেন...
মেয়েদের বিয়ের পরের জীবন নিয়ে কিছু কথা, দয়া করে খারাপ মন মানসিকতা নিয়ে পড়বেন না...
মেয়েটি প্রেগন্যান্ট হয়ে দিনে ২০-৩০ বার বমি আর নানান শারীরিক সমস্যায় ভুগছে।
খেতে বসলে পেটে বাচ্চা লাথি মারে, খেতে পারেনা। রাতে ঘুমাতে গেলে যন্ত্রনায় ছটফট করে,ঘুম আসেনা। সারা দিন শরীরটা কেমন যেন করে।বসতে গেলে,শুইতে গেলে,হাটতে গেলে মাথাটা কেমন যেন ঝিমঝিম করে।
আবার মনের ভিতর ভয়ও করে। কি হবে? পারবো তো সব সামলিয়ে উঠতে ?
এভাবে নয় মাস কেটে যায়। হঠাৎ প্রসব বেদনা উঠে। চারদিকে বিষাদের ছায়া,বাঁচবে তো মেয়েটি, আর অনাগত শিশুটি ?
মৃত্যুকে হাতে নিয়ে মেয়েটি শুয়ে পড়ে। জরায়ু ছিড়ে স্রোতের মত রক্ত ঝরে। চিৎকার করে উঠে মেয়েটি, যেন পৃথীবিটা তার অবস্থানে নেই। সে সুর্যের আলো যেন আজ ক্ষীণ দেখাচ্ছে।
প্রচন্ত আলোতেও সব কিছু কেমন যেন আবছা লাগছে। চারদিকে তাকায়। আপন মানুষগুলোকে খামছে ধরে। যেন মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার আকুতি জানাচ্ছে।
বাচ্চাটি পৃথীবির মুখ দেখে। সবাই বাচ্চাকে নিয়ে কত আনন্দ উল্লাস করে। নতুন নতুন জামা কিনে নিয়ে আসে। বাচ্চাকে নিয়ে হাজারো স্বপ্নের বীজ বপন হয়।Click here for more...
কে কি নামে ডাকবে তা ঠিক করতে হুলস্থুল অবস্থা শুরু হয়ে যায়। আত্মীয়় কুটুমরা বাচ্চার এ গালে, ও গালে চুমু খায়।
মেয়েটি বাচ্চার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসে। কে জানে সেই হাসির মাঝেও কত বেদনা লুকিয়ে আছে।
নবাগত অতিথিকে পেয়ে সবাই মেয়েটির কথা বেমালুম ভুলে যায়।
মেয়েটি সেই ময়লা বেডে শুয়ে থাকে। মুখ ফুটে তার শরীরের অবস্থার কথা বলতে পারেনা। কিছুটা ভয়ে, কিছুটা লজ্জায়।
সংসারের সব কিছুর জন্য সবার হাতে টাকা থাকে, শুধু মেয়েটির চিকিৎসার জন্য কারো পকেটে টাকা থাকেনা।
ঝরে যাওয়া রক্তের পরিপূর্ণতার জন্য প্যাকেটে প্যাকেটে দুধ আসেনা। বাচ্চা গর্ভে থাকাকালীনও মেয়েটি কারো কদর পায়নি। না মায়া–দরদ, না একটু পুষ্টিকর খাবার। তবু সবার আক্ষেপ বাচ্চাটা আরেকটু মোটা হলে ভাল হতো।
কেউ বাচ্চার মায়ের কথা ভাবলো না। কি দিয়েছে বাচ্চার মাকে ??
দুধ,কলা,মাখন,কি পেয়েছে মেয়েটি ?
তিন বেলার ভাত মাছ আর সবজি ছাড়া কতটুকু পেয়েছে ?
শাড়ি খানা মলিন, মুখখানা আরো মলিন। হাতে ফোসকা ধরে গেছে। আগের মত আর মোলায়েম হাতখানা নেই বলে স্বামীর কাছেও সে অনাদৃত।
সেই লাবণ্য নেই বলে, শ্বাশুড়ী মাঝে মাঝে লোকদের কাছে বুড়ি বউ বলে সম্বোধন করে। দূর থেকে মেয়েটি শুনে। কিচ্ছু বলেনা। কাকে বলবে ??
স্বামীকে !! সে এসব কথাতে এখন কান দেয়না। এসব নাকি ন্যাকামী। দু দিন হতেই শাশুড়ী আর ননদের আক্ষেপ,বউটা এখনো রান্না ঘরে আসছেনা কেন?
মেয়েটি হাটতে পারেনা।হাটতে গেলে মনে হয় এই বুঝি পরান পাখি উড়ে গেল। লজ্জাস্থান থেকে এখনো রক্ত ঝরছে। কাতরাতে কাতরাতে মেয়েটি রান্না ঘরে আসে।
ননদ আর শাশুড়ী হুংকার দিয়ে বলে, বাচ্চা কি আমরা জম্ম দেয়নি? শুধু তুমিই মা হয়েছে ?
অসহায় চাতক পাখিটির মত মেয়েটি ভাবে পাখির ও তো একটা জায়গা আছে। এখানে ভাল না লাগলে অন্যত্র উড়ে যায়। কিন্তু, আমার!! বাবা মাকে ছেড়ে আসলাম। ভাইটিও নেই, যাকে একটু মনের কথা বলবো। স্বামী এখন এসব বুঝে না। ও নাকি কারো সাথে তর্ক করতে পারবেনা। সকালে যায় আর রাতে ফিরে।
মেয়েটি রান্না শেষ করে খাটে গিয়ে বুকে বালিশ দিয়ে টপটপ করে চোখের পানি ফেলে। ইচ্ছে করে স্বামীর কোলে শুয়ে একটু ঘুমাবে।
কিন্তু, সে তো এখন স্বামী না, বাচ্চার বাবা। তার অনেক দায়িত্ব। বাবা মাকে খুশি করতে হয়, অফিসকে খুশি করতে হয়,বন্ধু বান্ধবকে খুশি করতে হয়।
আর আমি? আমি তো স্ত্রী। আমাকে খুশি না করলেও চলবে। আমি তো আপন কেউ না।
সমাজের মানুষ বলে “পরের মেয়ে”।
ইচ্ছে করে চিৎকার দিয়ে কান্না করতে। পরক্ষণেই মেয়েটি ভাবে ওরা কি ভাববে? শরীরটা ভাল নেই। খেতে ইচ্ছে করেনা।
বুকে দুধ আসেনা। বাচ্চাটার শুকনো মুখের দিকে তাকিয়ে পাড়া প্রতিবেশি আলগা দরদ নিয়ে বলে “মাইয়াডার কারনে বাচ্চাটাও শুকিয়ে যাচ্ছে”।
হায়রে মানুষ, হায়রে সমাজ। শাশুড়ী, ননদ, অমুকের বউ বা তমুকের মেয়ে, সবাই তো নারী। অথচ, কেউ এই মেয়েটির কষ্টের কথা বুঝলো না। কেউ চিন্তাও করলো না , “মা বাঁচলেই তো বাচ্চা বাঁচে”।
মেয়েটি অভিমান নিয়ে শুয়ে থাকে। রাতে খায় না। স্বামী বাসায় এসে চেঁচিয়ে বলে “তোমার কারনে যদি আমার বাচ্চার কিছু হয়, তাহলে খবর আছে” |
এবার মেয়েটি দাঁত-মুখ খিছিয়ে বলে “হুম,কি খবর করবে ?
খবর নিয়েছো একবারও আমার ??
খবর নিয়েছো একবারও আমার ??
এটা শুনেই পাশের লোকরা বলে “কত্ত বড় বেয়াদপ মেয়ে”।
সব লাঞ্চনা-বঞ্চনার পরও মেয়েটি তার স্বামীকে ছাড়া কিছুই ভাবতে পারেনা। দিনের পর দিন অপেক্ষা করে, কবে তার স্বামীটি তাকে বুঝবে। কবে তাকে বুকে টেনে নিবে। দিন যায়, দিন আসে। হতভাগা মেয়েটির আর সুদিন ফেরেনা।
এভাবেই অনাদরে, অবহেলায় একটা মেয়ে তার জীবনকে তিলে তিলে শেষ করে দেয়।
আমরা মাঝে মাঝে তাদেরকে মায়ের জাতি,বোনের জাতি,বউয়ের জাতি বলে সান্ত্বনা দিই। কিন্তু সান্ত্বনায় আর কাজ হয়না। চল্লিশ বছরের মেয়েটিকে দেখতে এখন পয়ষট্রি বছরের বুড়ি লাগে। তাতেও সমাজের আক্ষেপ,কেন এত বুড়ি লাগে !
ভাবুন তো, আপনাকে যদি এভাবে অবহেলা করা হতো, তবে কেমন লাগতো?
ভালবাসার মানুষগুলোকে ভালবেসে কাছে রাখা যায় না কি?
নারীদের প্রতি সহমর্মিতা আর ভালবাসার মোড়কোম্মচন হোক আপনাকে দিয়ে,আমাকে দিয়ে। তবেই সমাজ বাঁচবে। বাঁচবে মানবতা।
love story part 4
Part 04 :
পরদিন সকাল বেলা আফরাজ রূপ কে বাসায় দিতে যায় আর তখনই..
↓
_বাবা ও বাবা
মা ও মা
এতো মানুষ কেন বাসায় (রূপ)
_ওই তো তোমার মেয়ে এসে গেছে (প্রতিবেশী)
_কি হয়েছে , বাসায় এতো মানুষ কেন (রূপ)
_কালে কালে কত কি দেখবো (প্রতিবেশী)
_মা কি হয়েছে গো (রূপ)
_ ঠাসসসস,,,,ঠাসসসসস (মা)
_মা , মারলা কেন , কি করছি , আগে শুনবা তো (রূপ)
↓
আফরাজ তো ভ্যাবাচ্যাকা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ভেবেছিল রূপ কে পৌঁছে দিয়ে সেও বাদায় ফিরে যাবে , কিন্তু এইখানে এসে তো দেখে অন্য কেইস
↑
_কোথায় ছিলি সারারাত , পোড়ামুখী , বল কোথায় ছিলি (মা)
_দেখছো না কোথায় ছিল সারারাত , যার সাথে ছিল সে নিয়ে আসছে , দেখো না মেয়ের কি অবস্থা (প্রতিবেশী)
_mind ur language madam , what r u say , কি বলতে চাইছেন আপনি (আফরাজ)
_এই তুই আমার দিকে তাকা , তোর লজ্জা করলো না একজন পর পুরুষের সাথে রাত কাটিয়ে বাসায় ফিরতে (মা)
_মা , কি বলছ যা তা (রূপ)
_একদম চুপ , লজ্জা করে না , বের হো এইখান থেকে (মা)
_
_কোন কথা বলবি না , বের হয়ে যা আমার বাসা থেকে (মা)
_ধুর , বাবা কই ও বাবা বাবা , দেখো মা কি করে (রূপ)
_দেখুন , আপনারা কি ভেবেছেন তা আমি জানি না কিন্তু রুপাঞ্জনা একদম ঠিক বলছে (আফরাজ)
_কি আর ঠিক বলবে , এখন তো সবাই জেনে গেছে যে এই মেয়ে সারারাত বাহিরে কাটিয়ে এসেছে (প্রতিবেশী)
_ওই তো বাবা , বাবা দেখো না ওরা কি বলছে আমাকে, বাবা চুপ করে আছো কেন (রূপ)
_তোকে সব থেকে বেশি ভালোবাসতাম আর সেই তুই কিনা এইভাবে আমাকে অপদস্থ করলি সবার সামনে (বাবা)
_বাবা বিশ্বাস করো এমন কিছুই না বাবা (রূপ)
_কি কেমন , আজ থেকে ধরে নিবো আমার এক মেয়ে এক ছেলে তুই মরে গেছিস (বাবা)
_বাবা , কি বলো এইগুলা , এই যে আপনি একটু বলেন না প্লিজ , কাল আমরা কি পরিস্থিতে ছিলাম , একটু বলেন না প্লিজ
_স্যার , রুপাঞ্জনা যা বলছে একদম ঠিক বলছে , (আফরাজ)
_আপনি অনেক বড় মাপের মানুষ , আমার মেয়ের এতো বড় ক্ষতি টা কিভাবে করলেন , এখন সবাই তো এইটাই ভাবছে যে আমার মেয়ে বাহিরে পর পুরুষের সাথে রাত কাটিয়ে এসেছে (মা)_কিন্তু এতে রুপাঞ্জনার কোন দোষ নেই, রুপাঞ্জনা একদম পবিত্র , শুদ্ধ একটা মেয়ে (আফরাজ)
_এই যে থামুন থামুন , অনেক বলেছেন , সারারাত এক সাথে থেকে এখন বলছেন পবিত্র আছে এই চলো সবাই এইখানে থেকে কোন লাভ নাই , ছিঃ ছিঃ শেষ মেষ মেয়ে বাহিরে গিয়ে রাত কাটায় (প্রতিবেশী)
_এই যে কেউ যাবেন না এখন , এক তরফা নিজেদের টা শুনিয়ে চলে যাচ্ছেন , আদৌ মেয়েটার কোন দোষ আছে কিনা তা না জেনে নিজেদের খারাপ মন্তব্য গুলো মেয়েটার মাথায় চাপিয়ে দিয়ে চলে যাচ্ছেন , খবরদার কেউ যাবেন না
↓
মানুষ কত খারাপ হয় , একে তো আগুন তার উপরে ঘি হয়ে রাফাত ও হাজির
↓Click here for more...
_ রূপ , রূপ (রাফাত)
_রাফাত , রাফাত তুমি আসছো , ভালোই হলো দেখো না বাবা মা আর এই আন্টিরা কি সব বলছে , তুমিই বলে দাও কাল আমরা কি অবস্থায় ছিলাম (রূপ)
_এই ছিল তোমার মনে রূপ , এইভাবে ঠকালে আমায় ছিঃ (রাফাত)
_রাফাত
_কিন্তু আমি নেমে যাওয়ার পরে , তোমাকে বাসায় গিয়ে কত গুলা কল দিয়েছি তোমার মোবাইল কোথায় ছিল রূপ , মোবাইল টা অফ ছিল কেন , ওহ আচ্ছা তোমাদের স্পেশাল মুহুর্তে যাতে কেউ কল না দিতে পারে সেইজন্য রূপ (রাফাত)
_রাফাত , r u mad , কি বলছো যা তা (রূপ)
_আর এই যে বড় লোক ভদ্র মানুষ , নামকরা উকিল সাহেব , এই ছিল আপনার চিন্তা ভাবনা , বাহ ভালো তো (রাফাত)
_রাফাত সাহেব ভদ্র ভাবে কথা বলুন , কাল আমি আর রুপাঞ্জনা কি পরিস্থিতে ছিলাম আপনি দেখেন নি , আর সব কথার রক কথা রুপাঞ্জনা কে কি আপনার বিশ্বাস হচ্ছে না , ভালোবাসার মানুষ কে সবাই এতো বাজে কথা বলছে আর আপনার কিছুই আসছে না
(আফরাজ)
_আরে রাখুন আপনার ভালোবাসা , যেই মেয়ের চরিত্রের ঠিক নেই , তাকে কিসের ভালোবাসা , এই রূপ তোমার এতো লাগে আমাকে বলতে পারতে , আমার কাছ থেকে তো নিজেকে সরিয়ে রেখে সতী সেজেছো আর এখন এক পয়সাওয়ালার কাছে নিজেকেই বিকিয়ে দিয়েছো , (রাফাত)
_hey u , shut up ঠাসসসসসসস , don't u dare , (আফরাজ)
_ছাড়ুন ওকে আপনি , ছাড়ুন , আজ আপনার জন্য এই অবস্থা , কে বলেছিল আমাদের lift দিতে আপনাকে , আপনি আজ আমার সব কিছু শেষ করে দিলেন
_বাহ বাহ বাহ হাত তালি হবে এতো সুন্দর একটা নাটক এর জন্য , রূপ তুমি তো উনাকে আগে থেকেই চিনতে , তাই না , তাই তো কালকে এতো সুন্দর একটা প্ল্যান করে ফেলে কিন্তু আফসোস ধরা পরে গেলে এতো টাই মাতোহারা হয়ে গিয়েছিলে নিজেদের মাঝে যে কখন সকাল হয়ে গেছে টের ও পাও নি (রাফাত)
_রাফাত ,
_এই ছাড়ো , খবরদার তোমার ওই নোংরা হাতে আমাকে স্পর্শ করবে না । আর কোনদিন ও নিজের এই কুৎসিত মুখ টা আমাকে দেখাবে না (রাফাত)
_রাফাত দাড়াও , দাড়াও বলছি প্লিজ যেও না
_কিচ্ছু ঠিক হবে না , সব শেষ হয়ে গেছে (রূপ)
_আচ্ছা আপনারা ওর নিজের বাবা মা হয়ে ও ওকে কেন বিশ্বাস করতে পারছেন না , ও তো আপনাদের মেয়ে তাই না (আফরাজ)
_এই মেয়ে তুই এখনি বের হয়ে যা এই বাড়ি থেকে , তুই থাকলে আমি আমার ছেলের ও বিয়ে দিতে পারবো না কোন মেয়ের বাবা এই সংসারে তার মেয়ে দিবে না , যা যা তুই বের হয়ে যা (মা)
_বাহ মা বাহ আজ আমার জন্য তোমার ছেলেকে বিয়ে দিতে কষ্ট হয়ে যাবে , ঠিক আছে মা , আমার এই নোংরা মুখ টা যাতে তোমাকে আর দেখতে না হয় তার ব্যবস্থা আমি করে দিবো (রূপ)
_এই মেয়ে কোথায় যাচ্ছো তুমি (আফরাজ)
_ ছাড়ুন আমায় আপনি , আজ আপনার জন্যে আমার এই অবস্থা , আমার নিজের বাবা মা আমায় এতো কথা শুনালো (রূপ)
_ হ্যা রে রূপ আর কত নাটক করবি রে তুই , (প্রতিবেশী)
_আপনারা থামবেন একটু প্লিজ (আফরাজ)
_এই যে বড়লোক মানুষ যার সাথে এক রাত কাটাইলেন তার সাথে কি ফুর্তি করার জন্য রাত কাটাইলেন এখন তাকে ছেড়ে দিবেন , বলেন বিয়ে করতে পারবেন , পারবেন এই অসতী কে বিয়ে করতে (প্রতিবেশী)
_ছিঃ ছিঃ কি মাইন্ড আপনাদের চোখের সামনে এই মেয়েটা এতো দিন ছিল , শুধু একটা রাত মেয়েটা বাড়ির বাহিরে ছিল বলে তাকে চরিত্রহীনা ভেবে নিলেন বাহ (আফরাজ)
_এমন বড় বড় কথা সবাই বলতে পারে কিন্তু কেউই আগায় না , এদের সাথে এক রাত কাটানো যায় এদের বয়ে করে ঘরের বউ করে নেয়া যায় না (প্রতিবেশী)
_ছাড়ুন আমায় ছাড়ুন , দেখছেন কি খারাপ কথা গুলো আমাকে শুনতে হচ্ছে (রূপ)
_তুমি পালাবে কেন , তুমি কি অন্যায় করেছো নাকি , দাড়াও এইখানে ,
হ্যা এখন আমি যা বলবো এইখানে ঠিক তাই হবে , আমি এতক্ষন চুপ করে ছিলাম শুধু এই মেয়েটার জন্য , কিন্তু আর না , রুপাঞ্জনার মা বাবা ও এইখানে আছে আর আপনারাও , এখন এই মুহুর্তে এইখানে আমি রুপাঞ্জনাকে বিয়ে করবো , এর বাহিরে কেউ যদি আর একটা বাড়তি কথা বলে তাহলে আমি সাথে সাথে তার নামে মানহানির কেইস করবো , আর আমার দৌড় কত টা সবাই জানেন , (আফরাজ)
_তুমি এখন আমার আমানত , খবরদার যদি আর একটা কথা বলেছো তো , চুপ করে এইখানে দাঁড়িয়ে থাকবে , আর হ্যা আপনাদের বলছি রুপাঞ্জনা যে সম্পূর্ণ পবিত্র তার প্রমান টাও আমি আপনাদের দিতে পারি কিন্তু আপনাদের মুখের ভাষা শুনে আমার রুচি চলে গেছে (আফরাজ)
_প্লিজ আমার হাত টা ছাড়ুন , আমায় যেতে দিন (রূপ)
↓
রূপ যতই হাত ছাড়তে বলে আফরাজ ততই তার হাত টা শক্ত করে ধরে রাখে , এখন আফরাজ এত পরিমান রেগে গেছে যে তাকে কেউ থামাতেও পারবে না
↓
এই মেয়ে এই , বলেছি না চুপ করে দাঁড়াবে এইখানে , (আফরাজ)
↓
↓
আজরাজ কথা মতন কাজী ডেকে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করলো আফরাজ । আফরাজের কথায় সবাই ভয় পেয়ে গিয়েছিল তাই কেউই কথা বলে নাই , রূপ কে ওই কাপড়েই আফরাজ বিয়ে করে আর নিজেও ওই অবস্থাতেই ছিল , কিন্তু এর পর আফরাজ যা বলে তার জন্য হয়তো কেউই প্রস্তুত ছিল না
↓
↓
আজ থেকে রুপাঞ্জনা আমার স্ত্রী । মিসেস শাহরীন আফরাজ হুসেইন । আজকের পির থেকে কেউ আমার স্ত্রীর দিকে চোখ তুলে তাকিয়ে কিছু বলা তো দূরে থাক যদি ওকে কেউ কিছু বলে তাহলে সে যেন ভেবে নেয় ওইটাই তার শেষ দিন । আর আপনাদের বলছি , রুপাঞ্জনার আজ থেকে কোন বাবা মা নেই যেহেতু আপনারাই বলেছেন ও আপনাদের কাছে মৃত তাহলে আজকে এইখানে আপনাদের মেয়ে শাহরীন ফেরদৌস রুপাঞ্জনার মৃত্যু হয়েছে আর শাহরীন আফরাজ হুসেইন এর জন্ম হয়েছে । রুপাঞ্জনার কেউ নেই আর হ্যা কখনো আপনারা ওর সাথে কথা বলা তো দূরে থাক দেখাও করতে পারবেন না । রুপাঞ্জনা তুমিও এদের কারো সাথে কোনদিনও যোগাযোগ রাখবে না , এখন চলো (আফরাজ)
_নিশ্চুপ
_কি হলো চলো , দাঁড়িয়ে চোখের পানি ফেলছো কেন চলো এইখান থেকে at that moment (আফরাজ)
_আসলে আমার বই আর কিছু জামা...... (রূপ)
_কিচ্ছু নিতে হবে না আগে বাসায় চলো , দুপুরের মধ্যে সব পেয়ে যাবে , এই বাড়ি থেকে সূতার বস্ত্র ও তুমি নিবে না this is my order রুপাঞ্জনা (আফরাজ)
↓
আর কোন কথার সুযোগ না দিয়ে আফরাজ রুপাঞ্জনার হাত ধরে টানতে টানতে বাহির হয়ে যায় আর গাড়ি করে আফরাজের বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা করে । রাস্তায় দুইজনেই চুপচাপ থাকে , আফরাজ এক সময়ে ড্রাইভার কে বলে শপিং মলের কাছে গাড়ি রাখতে , তখন ড্রাইভার আর আফরাজ শপিং মলের ভিতরে যায় আর রূপ গাড়ি তেই থাকে । রূপ যাতে পালিয়ে যেতে না পারে তার জন্য আফরাজ গাড়ি লক কর রেখে যায় , কারন আফরাজ ভালো করেই জানে রূপ সুযোগ পেলেই পালাবে আর নিজের ক্ষতি করে ফেলবে , আফরাজ চলে যাবার পর রূপ গাড়িতে বসে বসে ভাবছে
↓
কি হয়ে গেলো আমার সাথে এইসব , যেই রাফাতকে এতো ভালোবাসলাম সেই রাফাত আমায় এতো খারাপ কথা শুনালো , আর আফরাজ সাহেব আমাকে বিয়ে করে নিলো , আমি এখন কি করবো , না পারবো আমি তাকে স্বামী হিসেবে মানতে না পারবো এই বিয়ে টা মানতে আর না করতে পারবো তার সাথে সংসার । (রূপ)
কিছুক্ষণ পর আফরাজ আর ড্রাইভার এসে গেছে । আফরাজের হাতে কিছু শপিং ব্যাগ ছিল যা রূপ খেয়াল করা
↓
এইখানে কিছু শাড়ি আছে , তোমরা পছন্দ হবে হয়তো , এখন বাসায় গিয়ে পরবে , পরে সব কিনে আনবো , আপাতত এইগুলা রাখো , কি হলো হাতে নাও এইগুলা (আফরাজ)
_জ্বি মানে (রূপ)
_আমার বাসায় এই বেশে থাকবে নাকি তুমি , এই গুলা নাও , বাসায় গিয়ে চেঞ্জ করবে আমি আর কোন কথা শুনতে চাই না (আফরাজ)
_জ্বি আচ্ছা (রূপ)
_good girl (আফরাজ)
_এহহহহহ , সে যা বলবে তাই হবে মনে হয় , জোর খাটায় , যত্তসব ফাযিল লোক {মনে মনে } (রূপ)
_আমাকে গালি দেয়া হলে এখন চুপ করো , মাথায় এতো চাপ নিও না , বুঝলা (আফরাজ)
_কিরে বাপ , এই কি লোক , মানুষ নাকি জ্বিন যা বলি সব ধরে ফেলে (রূপ)
↓
↓
↓
To be continue
Subscribe to:
Comments (Atom)
















